কিছু কথাদের নীরবতা প্রিয় হয়

sahitya

পরিণতি   //  তন্মনা চ্যাটার্জ্জী

অভিমানগুলো জমা থাক শৈশবে,
নতুন কিছু অভ্যাসে বসবাস ~
আবার যদি দেখা হয় কোনো বাঁকে ;
তোমার আমার আলগোছে অবকাশ!!

কিছু কথাদের নীরবতা প্রিয় হয়,
শর্ত পেরোয় প্রতিশ্রুতির দাবী~
আনুগত্যের স্বাধীনতা খুঁজে পাওয়া ;
বিদায় লিখন অবশ্যম্ভাবী!!

.

.

.

স্বপ্ন // পলাশ দাস

প্রজাপতি উড়ে চলে
মনের গভীর স্রোত হোতে ভিক্টোরিয়ার জলস্রোতে
হৃদয়ের গভীরে তুফান তোলে
বিষাক্ত প্রেম
শব্দের আঁচড়ে লেখা নাম
মোছেনা জলস্রোতেও
শেষ বিকালের পরন্ত রোদ্দুর
ঢেলে দেয় আবীর রঙ
নির্বাসনে মনের গোপন ইচ্ছে
স্বপ্ন জেগে থাকে
অনন্তলোকে
বেঁচে থাকে দু চোখে
কেননা স্বপ্ন অন্তহীন…..।

.
.
.

ঘুড়ি  //  অমৃতাভ দে   

       রংবেরঙের নানান ঘুড়ি         

                     উড়ছে দ্যাখো নীল আকাশে         

              ছোট্ট তাতাই লাটাই হাতে                 

          সবুজ মাঠে মুচকি হাসে ।                                                                                                          ওর ঘুড়িটা ফুলের মতোন                   

   নক্সাকাটা পাখির পালক           

              মেঘের ভেলায়,আতসবাজি         

         কৃষ্ণঠাকুর রাখালবালক।                                                                                                    উড়তে উড়তে সেই ঘুড়িটা                   

       পৌঁছে গেল নতুন দেশে           

         তাতাইসোনা শরৎ খোঁজে       

                      নাম না-জানা পথের শেষে ।                                                                                                 মেঘের দেশে সেই ঘুড়িটা                       

   লিখল নতুন গল্পগাথা                         

        ছোট্ট তাতাই সুতোর টানে           

               কুড়িয়ে নিল রঙিন খাতা।                                                                                                   খাতার ভিতর বিরাট আকাশ               

         নাম না-জানা অনেক ঘুড়ি           

        ছোট্টবেলা বলল ডেকে               

              পাখির মতো চল্ না উড়ি।     

.

.

শেষ সময়  // সত্যেন্দ্রনাথ পাইন

তোমার রূপ হয়তো ছিল। আজ নেই

তোমার কাছে হয়তো বসন্ত ছিল। আজ নেই
জ্ঞানের ভান্ডারে বসন্ত রয়েছে তবুও
যে কথাই বলি না কেন সুন্দর ব্যাখ্যা কর তুমি
সম্মানে টান ধরে। নিজেকে অপরাধী মনে হয়
বিধ্বস্ত হয় মানবজীবন। যমুনার তীরে
বাঁশরীর সুরে শ্রীরাধিকার প্রেম সাগরে
হয়তো ঢেউ ওঠে।
অপমানের অছিলায় রাতের ঘুমে
কে যেন তীব্রতায় পায়ের ছাপ রেখে যায় ।
.
.

.

আকাশ বাড়ি  //  অমৃতাভ দে

মেঘেদের কাছে ঠিকানা পেলাম 
কোথায় আকাশ বাড়ি 
একদল পরী ছন্দে বলল 
আজ ভাব নয়, আড়ি  ।

আকাশ বলল, বৃষ্টির কথা
গান গেয়ে যদি ডাকো –
ঝলমলে রোদ পাখির ডানায় 
মেঘ পরীকেই আঁকো  ।

আজ আড়ি নয় , ভাব করলাম 
ঠিকানা দিলাম লিখে ,
যদি পারো এসো , আমাদের ঘরে
সাজানো নদীর দিকে  ।

সবুজ বিকেল আসন পাতবে 
গল্প বলবে ফুল
দু একটা দিন হৈ হুল্লোড় 
আনন্দ বিলকুল  ।

পরীরা বলল , আকাশবাড়িটা 
তোমাকে দিলাম আমি
মনের রঙিন নানান কাগজে 
স্বপ্নের পাগলামি   ।

এসব লিখছি মেয়ের খাতায় 
বৃষ্টির জলছবি 
আর আড়ি নয় ভাব করে যাও
চেনা ছন্দের কবি  ।

      

ভ্যালেন্টাইনস  //    শ্যামল কুমার রায়

             ধন্য করেছো ভালোবেসে, 
               আমাকে করেছো ঋণী, 
              শোধ করার নয় এ ঋণ 
             তবু বসে বসে দিন গুনি।
          চাতকের মতো অপেক্ষা করি
           কখন কি বলো তা শুনি!
          তোমার ঐ রাঙানো চোখে
             ভীরুতা খুঁজি আমি।
       আমারই জন্য সদা উদ্বিগ্ন তুমি।
      শুনেছি প্রেমের নাকি দিন আছে?
   ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ সেলিব্রেশন আছে?
          কিন্তু, তোমার উদ্বেগের 
        কোনো দিন নেই, ক্ষণ নেই।
        আছে শুধু রাত জাগা চোখ, 
              না ঘুমানো দুপুর!
    চার কামরার ঐ ছোট্ট ফ্ল্যাটে ফেরা 
     চোখে চোখ রেখে চলাফেরা করা।
এক ছাদের তলায় তুমি আর আমি মুখোমুখি, 
               বড় নিশ্চিন্ত তুমি! 
       জমিয়ে ঝগড়া করতে পারো!
   ওটা তোমার একচেটিয়া অধিকার।
 তোমার সিঁথির সিঁদুর ভাগ করে দেবার, 
         কোনো লালসা নেই আমার।
.
.
.

ষাট এর দশকের ছাত্র জীবন //  লালমোহন রায়

বছর ছয়েক বয়স যখন ,স্কুলেভর্তি হলাম তখন ।
হিসেব করে বার করলাম সালটা হবে উনষাট।।
কারন হাইস্কুলে গেলাম যখন পনচঞম শ্রেণীতে,সালটা তখন ঠেকেছে ঊনিশো তেউষটটিতে।
.
এভাবেই হিসেবে মতো উনসত্তর সালে একাদশ শ্রেণিতে, এইচ এস দিলাম সূত্রে সালেতে ।
.
এতো গেল সালের হিসাব ক্লাস অনুযায়ী ,
বলি এবার কেমন ছিল ছাত্র জীবন কেমন সহপাঠী । 
কেমন ছিল পড়াশোনা  স্কুলে যাওয়ার রীতি।।
.
বঈঁ এখন করতে পারে একালের ছাত্র,বলতে তবু নেইকো লজ্জা বাস্তবতা মাত্র ।।
.
দুষ্টু অমি কম ছিলাম না যখন দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র 
বাবা আমায় স্কুলে দিতে হয়ে যেতেন ক্লান্ত।।
আসতে আসতে সামনে গিয়ে পেছন ফিরে ছুট।
রাস্তার লোক ধরে ফেলে হাসাহাসি করত খুব।।
.
বতসরাধিক এই ঘটনা চলত নিত্য দিন,
অবশেষে খেলার নেশায় স্কুলে যেতাম পতিদিন ।
পায়েতে ছিল না চটি পোষাক তেমন ,
স্কুলের Bager কথা জানতাম না তখন ।।
.
ছিল না কারোর দুক্ষ কোন অজুহাত,
পরিবেশ এটাই ছিল ছাত্রের সমাজ ।।
.
হাইস্কুলে এত বছর বন্ধু দের সাথে,
মিলে মিশে পড়াশোনা করেছি যে সবে।।
সময়ে না পাওয়া যেত বই খাতা পেন,
তবুও ছাড়িনি মোরা পড়াশোনার প্রেম ।।
.
শিক্ষকের আদেশ নির্দেশ পালন করিতে,
সদাই সচেষ্ট ছিলাম আমরা সকলে।।
ভালবাসায় ভরা ছিল শিক্ষক হৃদয়,
আমরাও করেছি তাঁদের শ্রদ্ধায় জয় ।।
.
দায়িত্ব বেশীই ছিল অভিভাবকের চেয়ে,
ফল শুধু চাইত তো তাঁরা পরীক্ষার শেষে ।।
.
ইচ্ছে করছে বলতে এবার টিফিনের কথা,
হাসলে সবাই হাসতে পারে পাবো না কিন্তু ব্যাথা।।
ডে স্কুলে ভাত খেয়ে স্কুলে যাওয়ার ফলে,
দুআনা চার আনা জুটত কদাচ কষমিন কালে ।।
.
মর্নিং স্কুলে তে কিন্তু মজা বেশ হত,
কাপড়েতে মুড়ি বাঁধা টিফিন থাকিত ।।
সময়ে আমরা সবাই পুকুরের পাড়ে
ভালো করে ভিজিয়ে খেতাম গল্প করে করে ।।
.
অভাব অভিযোগ থাকা স্কুল জীবনের কথা,
আনন্দ সব ভুলিয়ে দিত পেতাম না কোন ব্যাথা।।
আহা!কি আনন্দ ই না ছিল তখন,
স্কুলে,ঘরে,গাঁয়ের পরিবেশ ও মানূষ জন।।
.
অবশেষে বলি আমি স্কুল টির নাম,
রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন যার নিম।।
ছিলেন প্রধান শিক্ষক স্বামী মহাননদ,
তাঁর ভয়ে আমরা সকলেই কম্পিত ।।
.
বহাল ছিল তাঁর কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা,
ছাত্র শিক্ষক কারোর খেত্রেই হত না অনথা।।
অগাধ জ্ঞানী গুননিধি,খেলাধুলা নিয়ম নীতি,
আমরা ভয়ে কম্পমান ,যখন দেখি পাশেই তিনি।।
.
কারোর কোনো রেহাই নাই,দোষীর তিনি সাক্ষাৎ যম,
শ্রেনীকক্ষে খেলার মাঠে  তিনি ই আবার বন্ধু জন।।
.
.
.
.

নয়ন মেলে দেখ চাই // মিজানুর রহমান মিজান

এ জগতে বন্ধুর অভাব নাই

সময় অসময় ক’জন পাই

নিগুড় তত্ত্বে ভেবে দেখ চাই ।।
বিচারিলে ক’জন সাথী অসময়ে
কেহ থাকে না আসে যখন মরণ লয়ে
সাদা বসন বিনা আরতো কিছু নাই ।।
আছে তোমার বন্ধু যারা
সব মিলিয়ে তিনজন তারা

 

অর্থ বন্ধু যতই থাক
বাক্স সিন্ধুক ভরে রাখ
স্থায়ী নয় তা অস্থায়ীত্বের বড়াই ।।
মানব বন্ধু অগণিত
সঙ্গের সাথী হবে নাতো
কবর দেশে রেখে আসবে সবাই ।।
আমল বন্ধু যাবে সঙ্গে
সদা থাকবে মিশে অঙ্গে

শাস্তি না হয় মুক্তি সত্যতো এটাই ।।

.

.

রণেশ রায়ের ইংরেজি A Traveller কবিতার ভাবানুসারে

পথিক

আমি এক পথিক, পথ হাটি একান্তে

নিশানা ঠিক রেখে

যাত্রা আমার ওই দিগন্তে

মাথায় ছাতা, শত ছিদ্র

পড়ে চলে বৃষ্টি অবিরাম

একা হেঁটে চলি , কেউ নেই সাথে

শস্য ক্ষেতের আল বেয়ে

চড়াই উৎরাই ধরে

পাহাড়ের গা ঘেষে

সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে

জঙ্গলের নি:শব্দতায়

জনতার কোলাহলে

রক্তস্নাত পথে মিছিলে মিছিলে

চলতে হয় পথ অবিশ্রাম

মহা যুগের এ সন্ধি কালে

বাঁধতে পারে না কোন মাত্রা

বিনিদ্র প্রহরী আমি

বিরামহীন আমার এ যাত্রা।

মাও সেতুঙের ছোট্ট দু লাইনের দুটো কথা ‘আমি ছাতা হাতে অজস্র ফুটো তাতে’ অবলম্বনে

.

.

রণেশ রায়ের The truth কবিতার ভাবার্থ 

সত্য

উপলব্ধি আমার এ জীবনে

এ কি আশ্চর্য জীবন আমার

কোন দিগন্তে যাত্রা জীবনের

পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে

জীবনের মহুয়া বনে

বিচিত্র এ সৃষ্টি

অশেষ বৈচিত্র মাঝে

রহস্যে ঢাকা এ জীবন

যুক্তির তীরে বিদ্ধ করতে চাই

চেষ্টায় থাকি রহস্য ভেদের

খুঁজে ফিরি কার্য কারণ

আমি খুঁজি খুঁজি আর খুঁজি

খুঁজে ফিরি সে সত্য

খুঁজে ফিরি রহস্যের অন্তরালে

লুকিয়ে কোন সে অজানা

উন্মোচিত হয় যদি!

বাতাসের প্রবাহে বয়ে চলে সত্য

সূর্যের কিরণে উদ্ভাসিত

সমদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে

আকাশে মেঘের আড়ালে

জঙ্গলের নীরবতায় সে লুকিয়ে

জীবনের কোলাহলে সত্য কথা বলে

সুখ দুঃখের অন্তরালে

জীবনের রহস্য মাঝে

সে দাঁড়িয়ে উন্নত শিরে

আমি দেখি না তারে ।

.

.

.

কবিগুরু  //   শুভম রায়,

সপ্তম শ্রেণি,   জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

             দাড়িওলা এক বুড়ো 
              লিখেছিল গল্প কত
             ছন্দে মেলা, গদ্যে ভরা
                নয়তো লিমেরিক।
          জন্মেছিল সে জোড়াসাঁকোয়, 
                 কত বছর আগে
তাও কেন আজ আমার মনে রাখি
                           ঐ বুড়োটাকে?
         ওনি ছিলেন এক মহান কবি।  
                  জানো কি তোমরা? 

.

.

জয় জয় মা ভারতবর্ষ  //   সুব্রত মজুমদার 

কি লিখব আর কলম চলছে নাকো
লাশগুলো শুধু ভেঁসে আসে চোখপরে,
প্রেমের কবিতা এখন তো তাকে রাখো
রণভূমে যবে তোমার ভাইয়েরা মরে।
লাশকাটা ঘরে বুদ্ধিজীবিরা বসে
কোন লাশ কত দরে বিকোবে তা ভাবে !!
আমার কলম মরে অনাবিল রোষে
কি প্রয়োজন লোকসান আর লাভে ?
আমায় তোমরা একটা কি দিতে পারো
কালাশনিকভ ফুল ম্যাগাজিন ঠাসা ?
ভারতমায়ের চরণেতে দেব বলি
আমার যতটুকু সুখ-দুখ প্রত্যাশা।
মরার সময় শেষ বাণী যেন ঝরে
‘জয় হিন্দ’ জয় জয় মা ভারতবর্ষ,
আমার কফিনে তিরঙ্গা যেন ওড়ে
সে হবে আমার সবচেয়ে বড় হর্ষ।
জয় হিন্দ। .

.

.

জিহাদ   //   অভ্র  ঘোষাল

দূরের আকাশে যখন মিশে যেতে বসেছে সূর্যের ক্লান্ত রশ্মিগুলো একান্তে,

.
তখন আদিমতার শিকল-ভাঙা অশান্ত দামামা বেজে ওঠে শহীদের রক্তে !
.
তীব্র ঘৃণার বশে অন্ধ তারুণ‌্য খোঁজে রক্তের মিছিলে নিমগ্ন অসহায় হাহাকার।

.
প্রেমিক-হারা, স্বজন-হারা ইতিহাসের বুকে চলে হিংস্র গোলা বারুদের ভয়াল সন্ত্রাস,
কার্তুজ, তুমি কি মায়ের অশ্রু নাকি বর্ষব‌্যাপী অপেক্ষারত অর্ধাঙ্গিনীর সোহাগ?

.
তুমি কি ধর্মের রোষানলে পঙ্গু হিংসার ছলে ফুঁড়ে দাও এক প্রেমিকের পাঁজরের হাড়?
বন্দুকের নল থেকে ঘৃণার প্রকাশ ঘটে– চলে রক্ত-মাংসের বীরের শিরশ্ছেদ,
কেঁদে কেঁদে চোখের জলে শূন‌্য কোলে ঢলে পড়ে জননীর বিস্মিত ভাবাবেগ।

.
তবে আর নয় এই হত‌্যালীলা, আর নয় এই রক্তপাত…
আর নয় এই ভয়ের খেলা, আর নয় জিহাদের নিশান।

.

তব চরণে করি মাথানত মহাভারতের সুবীর কর্ণ,
অনন্ত শান্তির যাত্রাপথে আজ হয়ো না তুমি ক্লান্ত ; ওগো দীপ্ত পান্থ!

.

.

.

বন্ধুত্ব //     শ্যামল কুমার রায়

          সুদৃঢ় হোক বন্ধুত্বের বন্ধন,
     আলোকিত হোক সবার জীবন।
          নিজের জন্য শুধু বাঁচা
             ভালো বাঁচা নয়।
          হাতে হাত রেখে বাঁচা
     বেঁচে থাকার অভিনয় নয়।
    বিলিয়ে দিয়ে নিজের জীবন
                        সকলের তরে,
   মর্ত্যের পৃথিবীতে অমর্ত্য চিরতরে ।
.
.
.

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর/সত্যেন্দ্রনাথ পাইন

দেশ পূজা প্রেম প্রকৃতি

     বিচিত্র ও আনুষ্ঠানিক
      ছয় পর্যায়ে গান রচে যিনি
       হয়েছেন আজ নান্দনিক
        প্রজ্ঞা মনন যেখানে আছে
        আছে যেথা নতুন বাঁচার সুর
         তিনি হলেন রবী ঠাকুর—–
         যে গানে শুনে
      সবার বাঁচার মোড় ঘুরে যায়
       বসন্ত যেথা সুপ্ত হায়
            ঝনঝনাচ্ছে শান্তিনিকেতন
            অন্তর যেখানে পাগলপ্রায়
     
            কী হবে তার সংখ্যা গুনে???

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: