ছড়া – মাধব মন্ডল

sahityasmriti

শুনে শুনে শেখ

স্বরবর্ণের ছড়া

অনুদাদা আমবাগানে
ইয়া দু’টো ঈগল আনে
উড়ে তারা ঊর্দ্ধে বসে
বলছি তোকে কানে কানে।
আর ওদিকে অনুদাদা
গোঁফদাড়ি সব সাদা সাদা
সঙ্গে ছিল ঋষিদাদা
দু’জন মিলে লি(৯)চু খান
একতারাতে দিয়ে টান
ঐ ওখানেই ঔষধ করে দান
জটিল কত রোগ সারান।
.

ব্যঞ্জন বর্ণের ছড়া – ১

.
কান তোলা এক খরগোস
কমলিকার কাছে
গট গট হেঁটে
ঘাসটি দিলে কেটে
ঠ্যাঙটি তুলে নাচে।
চিলটি ছিল আকাশে
ছাগশিশুটি পাশে
পুকুরের জলে ঝাঁক ঝাঁক
বাগানেতে বনসাই ঞ এক গাছ।
.

ব্যঞ্জনবর্ণের ছড়া – ২

টাক মাথা তোর ঠাকুরদাদা
ডাব খেয়ে রোজ রাতে
ঢাক পিটিয়ে যেতেন শুতে
হরিণ আঁকা খাটে।
তালি মেরে থালা ভরা
মন্ডা মিঠাই দই সন্দেশ
ফুলকোলুচি ধামাভরা
আসছে নাকে গন্ধ বেশ।

ব্যঞ্জনবর্ণের ছড়া – ৩

প্রজাপতি উড়ে উড়ে
ফুলে ফুলে বেড়ায় ঘুরে
ফুল তোলে বালিকা
ভয় রেখে দূরে
মা দিয়েছে তালিকা।
যন্ত্রমানব রোবটছানা
ল্যাপটপে গেম খ্যালে
বাগান থেকে শশা তুলে
ঘরে এনে ফ্যালে।

ব্যঞ্জনবর্ণের ছড়া – ৪

ষাঁড়ের সঙ্গে সিংহের লড়াই
দেখে হরিণ হাসে
গেড়ি গেড়ি বানর চড়াই
আষাঢ় কাশি কাশে।
ছায়ার সঙ্গে কুস্তি লড়ে
হয়ে গেলাম কাৎ
অং বং দুঃখ মনে
চাঁদের পক্ষপাত।

এসো খেলি – ৬

——————–
একটি মাঠে দু’দু’টি দল
দুই এগারো বাইশ
রেফারির কাজ কার্ড দেখানো
হলেই কেউ বদমাইস।
পরপর তিন করলে গোল
হ্যাটট্রিক তার হয়
এরই নাম ফুটবল
পায়ে খেলতে হয়।

এসো খেলি – ৭

ক্রিকেট ক্রিকেট ক্রিকেট
বাইশ গজি উইকেট
এগারো জনে ফিল্ডিং করে
ব্যাটসম্যানেরা পেটায়
ছয় বলেতে এক ওভার
বলের দাবি মেটায়।

সংখ্যার ছড়া – ১

এক দুই ( ১ ২)
আর যেন না শুই!
তিন চার ( ৩ ৪)
ব্রেকফাস্টটা সার।
পাঁচ ছয় ( ৫ ৬)
গুড গার্ল গুড বয়।
সাত আট ( ৭ ৮)
গেলাম খেলার মাঠ।
নয় দশ ( ৯ ১০)
সবাই পড়তে বস।

সংখ্যার ছড়া – ২

দশ নয় ( ১০ ৯)
বীর আমি নেই কোন ভয়।
আট সাত ( ৮ ৭)
খেলেই করবো বাজিমাৎ।
ছয় পাঁচ ( ৬ ৫)
গান শিখেছি শিখেছি নাচ।
চার তিন ( ৪ ৫)
ঝিরঝির বৃষ্টি মেঘলা দিন।
দুই এক ( ২ ১)
ছাতার মিছিল দ্যাখ চেয়ে দ্যাখ।

পাখির ছড়া

মাছ খায় মাছরাঙা
আর খায় পানকৌড়ে
বক চিল ঈগলটা
হার মানে দৌড়ে।
গান গায় বুলবুলি
কথা বলে টিয়ে আর ময়না
ফিঙে চড়াই কথা শেখে
কাকের তা হয় না।

মাছের ছড়া

রুই কাতলা মৃগেল চারা
রোজই আমরা খাচ্ছি
পারসে ভেটকি বাগদা ইলিশ
কোথায় বা আর পাচ্ছি।
লাইলনটিকা সিলভার কার্প
তেলাপিয়া সীতাহার
ফুল চিংড়ি আর নিহেড়ে
পায়রাতলির বাহার
রোজ আমাদের আহার।

ফুলের ছড়া

লাল লাল লাল লাল যে ফুল
জবা আর ঐ শিমূল
কৃষ্ঞচূড়া গোলাপ পলাশ
লালে লাল এসব ফুল।
সাদা সাদা বেল কামিনী
আর রজনীগন্ধা
গন্ধরাজ যুঁই টগর কাঞ্চন
ভরিয়ে রাখে সকাল সন্ধ্যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: