পূনর্বার – আবদুর রাজ্জাক

একভাবে; নিখিল চরাচর উপেক্ষা কোরে সে বেড়ে উঠেছে,

বনস্পতির অধঃ অন্ধকার আর আকাশ রাত্রির এই

অশুভ নীল যা কালো বলেই মনে হয়েছিল, তা-ই  শরৎ

ভূখণ্ড থেকে ক্রম বিস্তারে; ধীর গতিতে, খানিক ধীর

হয়ে হয়ে, নেমে আসে আমাদের বৃক্ষনিবাসে।

যারা নদীকূল বেয়ে; গুন টেনে টেনে গিয়েছিল নিরুদ্দেশে,

ক্ষণকাল পরে, শিরদাঁড়া কুঞ্চিত কোরে, সার্ধ দেহে; আরো

এক   কম্পিত শব্দে,     দুপাশের     অরণ্য কাঁপিয়ে,

অনির্ধারিত    শব্দপুঞ্জ ছাপিয়ে       নিদ্রিত      প্রাণীদের

ঘুম ভেঙে দেয়।

তখন তাদের সঞ্চিত ঘুম উড়ে উড়ে যায় ——

সেই সান্ধ্য সন্ধ্যায়;

আধো অন্ধকারের    জ্বল জ্বলায়মান  নক্ষত্রের নিষাদে

থাকে সামান্য বিদ্যুচ্চমক,     তারপর      ঘোমটা

খোলার সময়টা সুসম্পন্ন হলে    দূরে    আরো দূরে জ্বলে

ওঠে মেঘ,  আর     তক্ষুণি

বিনোদিনী    নিজহাতে     খুলে দেয়   খোঁপা।

সেই ছায়ারাত্রির জ্বলে ওঠা মেঘ, অঙ্গীকার আর অন্ধকার

এক অধীর বিন্দুতে মিলিত হলে—–সান্ধ্যজাগরণ

নিঃশ্ব কোরে    টুপটাপ ঝরে পরে    পূর্বাপর

আরো কিছু      মেঘ।

তার অন্ধ সংকেত     ভোর প্রভাবে    একটি মাত্র মন্ত্রণায়

প্রভাবিত হলে,     থেকে যায়       প্রত্যন্ত একটি

নদীকূল;    আর     এক     অভূতপূর্ব     কালিক মান্দাস।

 

φ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *