A few words about the writings

smriti

কিছু অনুভূতি কথায় নয় প্রকাশ পায় দুটি মানুষের পারস্পরিক বোঝাপড়ায়।।সেরকমই এক ভাবনা থেকে এই কথোপকথন লেখা।।

কথোপকথন:অনুরক্ত //  তন্মনা চ্যাটার্জী

কি হয়েছে রে আজ তোর?

– কই কিছু না তো!

– বলবিনা নাকি বুঝতে পারছিস না ?

– কিছুই হয় নি তো!তোর মাঝে মাঝে এরম কেন মনে হয়?

– মনে হয় না, তুই ঘেঁটে থাকলে বুঝতে পারি !

– বুঝতে পারার অভ্যেসটা বদলে ফেলিস , নইলে অভ্যেস হয়ে যাবে!

– অভ্যেস নয় এটা অনুরণন!

– আজ তুই বাড়ি যা!

– ধরা পড়ার জন্য শাস্তি দিলি?

– না ,শুধু আমার কষ্টে তোর অনুরণন কষ্ট পাক চাইনা

– পাগল একটা তুই।।আমি চললাম।।

– (স্বগতোক্তি:) তবু আমার জন্য পাগলী হতে তোর যে বাধা নেই সেটা আমার অনুরণনও জানান দিয়ে যায় !!

.

.

আমার এটুকুই  // প্রিয়নীল পাল

আমি সন্ধ্যা তারার বুকে

আকিবুকি কেটে লেখার চেষ্টা

করে চলেছিলাম তোমার নাম,

হঠাৎ চাঁদের আলো টা লাগলো চোখে

মনে হলো তোমাকেই দেখলাম।

কত অযৌক্তিক অবৈজ্ঞানিক

মনে হচ্ছে শুনে তাই না!

আসলে যে ছেলেটা একবার

তোকে দেখেই নিজের রাশি রাশি

শব্দ মিলিয়ে নিতে চায়

তার কাছে গুটিকয়েক আবেগ ছাড়া

আকরে ধরে বেঁচে থাকার কিছুই নাই।

আমি রোজ তোকে একটি বারে

নিজের মনের দূরত্ব মুছে দিয়ে

বলতে শুনতে চায়,একবার হলেও

যে সত্যিই আমাকে ভালোবাসা যায়।

আমি শুনতে চায়

সত্যি আমাকে জড়িয়ে ধরলে

নিজেকে মুক্ত করা যায়।

.

.

.

চলে যমুনায় //  মিজানুর রহমান মিজান

তোর হাসিতে মন ভরে যায়

হাসিতে চাঁদ ও যেন লজ্জা পায়।।

টানা টানা দু’টি চোখ

মোহময়ী যাদুকরী মুখ

বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি সুখ

কি অপরুপ সাজ সজ্জায়।।

পুতুল নাচের অঙ্গভঙ্গি

সুখ যেন হয় নিত্য সঙ্গি

মন যেন রাঙায় রঙ্গি

দখিনা বাতাস যেন শিহরণ জাগায়।।

বহুজনে প্রেম যাচনা

তাতে আছে যে মানা

এক ধ্যানে হও দেওয়ানা

রাধা কৃষ্ঞের তরী চলে যমুনায়।।

.

.

শুধু তোমাকে চাই //  শ্যামল কুমার রায় ,

  এক অনুসন্ধিতসু চোখ খোঁজে তোমায়

           পথে , ঘাটে, ঘুমের ঘোরে 

      শীর্ণকায় পক্ককেশী বয়োবৃদ্ধ তুমি 

শোণিতে শোণিতে ধাবিত তাজা তারুণ্যের রক্ত 

          সবই তোমার অকৃপণ দান

     কালের নিয়মে অশক্ত তুমি আজ!

     ভুবন ডাঙার মোড়ে তোমার সাথে 

          মেলার সম্ভাবনা খুব কম।

             আমি দ্রষ্টা নই জানো!

            তবে লোভাতুর চোখ শুধু 

             তোমায়ই খোঁজে জেনো ।

              ভব সাগরে না হলেও

    ক্ষীরোদ সাগরে তুমি আমি মুখোমুখি।

   বেশ কিছু বছর তুমি অপেক্ষা করো

                             আমার জন্য ।

    স্যাটেলাইট ফোনে ধরব চিত্রগুপ্ত কে 

       তোমার সব কর্ম ফলের দায়ভার

               আমার, শুধু আমার!

মধ্য আটত্রিশ থেকে তোমাকে বঞ্চিত করার

   শাস্তি! চরম শাস্তি! দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

        নব কলেবরে তুমি আবার এসো 

                              এ ধরার বুকে।  

       জীবন্মুক্ত থেকো তুমি সেই সময়

এ সম্পদ , এ ঐশ্বর্য শুধু তোমাকেই মানায়।

.
.
.

উইলিয়াম ওয়ার্ডস ওয়ার্থের Animal Tranquility and Decay  কবিতার ভাবালম্বনে  //   প্রশান্ত অন্তিম সে যাত্রা  //  রণেশ রায়

পথ ধরে প্রশান্ত চিত্তে যাত্রা তার

পায়রাগুলো রাস্তায় বকম বকম

ভ্রুক্ষেপ করে না  তাকে আর,

উপেক্ষা বেঁধে না তাকে

সে হেঁটে চলেছে উদাসীন নির্ব্বিকার,

পেরিয়ে এসেছে জীবনের কত না বছর

শান্ত সৌম্য ধীর পদক্ষেপ তার,

সে চলেছে নীরবে

পরিতৃপ্তি ভেসে ওঠে চোখে

মুখে প্রশান্তির ফুল ফুটে ওঠে,

উদ্বেগহীন সে, কিছুই স্পর্শে না তাকে

সে মগ্ন গভীর মননে,

ন্যুব্জ তার শরীর তীক্ষ্ণ সজাগ চোখ

অভিজ্ঞতার দীপ্তি ফুটে ওঠে চলনে,

স্থিতির ছায়াপথ ধরে সে এগিয়ে চলে

কোন কর্ম্ম কোলাহল নেই তার জীবনে,

অপেক্ষার দিন ফুরিয়েছে তার

কারও জন্যে অপেক্ষা নয় আর

বিশ্বজগতে চাওয়া পাওয়ার অবসান আজ,

সব কাজ শেষে

তাই তার বিদায়ের এ সাজ,

উৎকণ্ঠার অবসান তার জীবনে

সে চলেছে নিশ্চিন্তে নেই কোন কৌতূহল

যাত্রা তার প্রশান্তির সে অন্তে,

জীবনের ক্ষয় আর লয়ের পথ ধরে

চলে যেতে হয় ওই দিগন্তে,

অনিবার্য সেই যাত্রা পথে

বেঁধে না তাকে কোন অবসাদ ব্যথা,

সে চলেছে নিরূপদ্রোপ শান্তির জগতে

প্রাণীকূলের শেষ আশ্রয় যেথা।

ANIMAL TRANQUILLITY AND DECAY,
                      A SKETCH

The little hedgerow birds,
That peck along the road, regard him not.
He travels on, and in his face, his step,
His gait, is one expression; every limb,
His look and bending figure, all bespeak
A man who does not move with pain, but moves
With thought—He is insensibly subdued
To settled quiet: he is one by whom
All effort seems forgotten, one to whom
Long patience has such mild composure given,
That patience now doth seem a thing of which
He hath no need. He is by nature led
To peace so perfect, that the young behold
With envy, what the old man hardly feels.

.

.

.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: